রাজধানীর গুলশান থানার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে ফুটপাতে হকার বসানো ও নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সুবাস্তু থেকে বাঁশতলা পর্যন্ত সড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ফুটপাতের হকার নিয়ন্ত্রণ এবং সেখান থেকে অর্থ আদায়কে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সন্ধ্যায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের দাবি, এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন গুলশান থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান ও বিএনপি নেতা নুরুর, অপর পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন সাবেক যুবদল নেতা শওকত ভূইয়া ও যুবদল নেতা মনা।
সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষের লোকজনকে লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া করতে দেখা যায় বলে স্থানীয়রা জানান। এতে ওই সড়কে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় কিছু সময়ের জন্য স্বাভাবিক চলাচলও ব্যাহত হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রগতি সরণির ব্যস্ত সড়কের ফুটপাত ও সড়কের অংশে দীর্ঘদিন ধরে হকার বসানোকে কেন্দ্র করে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা চলছে। এতে একদিকে পথচারীদের ফুটপাত ব্যবহার কঠিন হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে সড়কে যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, হকার বসানোকে কেন্দ্র করে অর্থ আদায় ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিরোধই ধীরে ধীরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাতের রূপ নিয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, ব্যস্ত প্রগতি সরণিতে ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং হকার ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে যানজট নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় ভোগান্তি কমছে না।
এদিকে, সংঘর্ষে কেউ আহত হয়েছেন কি না, কিংবা এ ঘটনায় পুলিশ কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন