বিনোদন ডেস্ক
১৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ৪৪ জন

কসমেটিক সার্জারি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিয়া মির্জার: ‘ঠোঁট-স্তন বদলানোর পরামর্শ দিতেন পুরুষরাই’

বলিউডে সৌন্দর্যের প্রচলিত মানদণ্ড, বয়স নিয়ে বৈষম্য এবং কসমেটিক সার্জারির চাপ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। তিনি জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তার চেহারা পরিবর্তনের নানা পরামর্শ দেওয়া হতো। এমনকি ঠোঁটে ফিলার করানো ও স্তনের আকার বড় করার মতো পরামর্শও পেয়েছেন তিনি। তবে বিস্ময়ের বিষয় হলো, এসব মন্তব্য কোনো নারীর কাছ থেকে নয়—বরং পুরুষদের কাছ থেকেই এসেছে।

সম্প্রতি দ্য পিপল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দিয়া মির্জা বলেন, বিনোদন জগতে নারীদের প্রায়ই নিজেদের স্বাভাবিক চেহারা বদলাতে উৎসাহিত করা হয়। তার ভাষায়, এই সংস্কৃতি নারীদের মধ্যে অনিরাপত্তা তৈরি করে এবং নিজেদের প্রকৃত সত্তাকে গ্রহণ করতে বাধা দেয়।

কসমেটিক সার্জারি প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, “কখনো আমাকে ঠোঁটে ফিলার করাতে বলা হয়েছে, কখনো স্তনের আকার বড় করতে বলা হয়েছে। কিন্তু এসব কথা কোনো নারী বলেননি, সবসময় পুরুষদের কাছ থেকেই শুনেছি।”

দিয়া মির্জার মতে, বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারণ, চলচ্চিত্র শিল্পের ক্ষমতার বড় অংশ এখনো পুরুষদের হাতে। তাদের তৈরি করা সৌন্দর্যের মানদণ্ড অনেক নারীকে নিজের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নিয়ে অনিরাপদ করে তোলে।

তিনি বলেন, “যখন কোনো নারী মনে করেন, কসমেটিক সার্জারি ছাড়া তিনি সুন্দর নন, তখন সেটিই একটি ফাঁদ। এতে মানুষ নিজের প্রকৃত পরিচয় ও স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে অস্বীকার করতে শুরু করে।”

অভিনেত্রী আরও জানান, বয়স ও চেহারা নিয়ে তাকে বহুবার মন্তব্য শুনতে হয়েছে। পরিচালক, প্রযোজক কিংবা নিজেকে বিশেষজ্ঞ দাবি করা ব্যক্তিরা তাকে বিভিন্ন পরিবর্তনের পরামর্শ দিতেন। অথচ কোনো নারী কখনো তাকে এমন পরামর্শ দেননি।

দিয়া মির্জা বলেন, “আমি তখন দুটি বিউটি টাইটেল জিতেছি, বয়সও ২০ বছর হয়নি। তারপরও বারবার বলা হতো— কী পরিবর্তন করলে আমাকে আরও সুন্দর দেখাবে। এসব মন্তব্য আমাকে খুব অবাক করত।”

তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে কসমেটিক সার্জারি, সৌন্দর্যের মানদণ্ড এবং নারীদের প্রতি বিনোদন জগতের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটে ফ্লেমিংয়ের নতুন ছক

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের সাত সদস্যসহ নিহত ৯

ন্যাটোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার সম্ভাব্য পদক্ষেপ, গোয়েন্দাদের সতর্কতা

বয়স বাড়লেও কেন নতুন করে অ্যালার্জি হয়, জানুন কারণ ও করণীয়

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় এমপি গাজী নজরুলসহ তিনজন গ্রেপ্তার

নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাজধানীতে তিন বাসে আগুন, যাত্রাবাড়ীতে পরপর ৪ ককটেল বিস্ফোরণ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘ছয় মাসের সাফল্য’ নিয়ে হাসনাতের ফেসবুক পোস্ট

অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

ট্রাম্পের বৈঠকের তালিকায় নেই নেতানিয়াহু, অনিশ্চিত সাক্ষাৎ

১০

আসিয়ান কাপে বড় কিছুর প্রত্যাশা জামালের, লক্ষ্য পরের রাউন্ড

১১

আইফোনের জন্য অপ্রতিমকে হত্যা? রহস্য উদঘাটনের দাবি পুলিশের, দুপুরে সংবাদ সম্মেলন

১২

ঢাকাজুড়ে কড়া নজরদারি, চেকপোস্টে সন্দেহজনক যানবাহনে তল্লাশি

১৩

সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১৪

কর্মসূচিতে ঠাসা তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর

১৫

নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিষয়ে নেই নির্দেশনা

১৬

ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও ৫ বছর বাড়ালেন ট্রাম্প

১৭

‘বাইরের কেউ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ঠিক করে দিতে পারে না’: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপে মিলবে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

১৯

গণভোটের রায় না মানলে এক দফার আন্দোলন’: মামুনুল হক

২০