দলের নেতা আশুতোষ রানকা ও সৌরভ দাসের নেতৃত্বে একদল কর্মী এ বিক্ষোভে অংশ নেন। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে বিক্ষোভের দৃশ্য দেখা যায়। এতে দলীয় পতাকা হাতে কয়েকজনকে গেট টপকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। এ সময় তারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন।
পুলিশ বাধা দিলে সেখানে কিছুক্ষণ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে বিক্ষোভকারীদের আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিজিৎ দীপক লেখেন, ‘আপনারা প্রতিরোধকে নিষিদ্ধ করতে পারবেন না।’ যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তিনি এ মন্তব্য করেন।
দিল্লির কেন্দ্রীয় ও নিরাপত্তাসংবেদনশীল এলাকায় অবস্থিত যন্তর মন্তর দীর্ঘদিন ধরে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সেখানে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা যাবে না।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচির জন্য নতুন তিনটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড।
গত ১০ অক্টোবর থেকেই যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। ওই দিন সেখানে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তবে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর দলের শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপক, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে উড়োজাহাজের ভেতর থেকেই আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে শনিবার ও রোববার দিল্লির বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ ও পুলিশের অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হাজারো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন