এর আগে একই বছরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর তাঁর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় কারাবন্দি অবস্থায় তাঁদের হত্যা করা হয়। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি জেলহত্যা মামলা নামে পরিচিত।
জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালতের রায়ে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামির মধ্যে ১০ জনই এখনো পলাতক। একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের একজন ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাতেও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। ২০২০ সালের এপ্রিলে দেশে গ্রেপ্তার হওয়ার পর একই মাসে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম দীর্ঘ ২১ বছর বন্ধ ছিল। ১৯৯৬ সালের জুনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুনরায় মামলার কার্যক্রম শুরু হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন