বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, সৌদিয়া ও রিয়াদ এয়ারের ফ্লাইট রয়েছে।
শনিবার ঢাকা থেকে রিয়াদের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট পরিস্থিতি বিবেচনায় মাঝপথ থেকে ওমানের মাস্কাট বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফিরে আসে।
এদিকে, রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার মধ্যরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে বাংলাদেশিসহ মিশর, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সুদান, সিরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
হামলার পর কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বিমানবন্দরটিতে অন্তত চারবার হামলার ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবারের হামলায় এক পাইলটসহ সৌদি আরবের তিন নাগরিক নিহত হন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। হুথিরা বিমানবন্দরের অবকাঠামোর পাশাপাশি সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের একটি বিমানকেও লক্ষ্যবস্তু করেছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রায় দুই মাস ধরে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে। এর মধ্যে রিয়াদ বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলেও প্রভাব পড়ছে।
সম্পাদনা-সংক্রান্ত নোট: প্রকাশের আগে হতাহতদের সংখ্যা, বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত থাকার তথ্য এবং হামলার জন্য হুথিদের দায়ী করার বিষয়টি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যাচাই করে নেবেন।
মন্তব্য করুন