নির্মাতা কামাল হোসেন বাবরের পরিচালনায় আন্তর্জাতিক প্রযোজনার এই সিনেমার শুটিং কানাডায় হওয়ার কথা ছিল। তবে পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ ও পেশাদারিত্বের ঘাটতির অভিযোগে সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন অধরা।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে অধরা জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পক্ষকে জানানোর পরও সিনেমাটি থেকে তাঁর সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। এত দিন নীরব থাকার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, তাঁর বক্তব্যের কারণে সিনেমাটির শুটিং কিংবা এর সঙ্গে যুক্ত সহশিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক, তা চাননি।
তবে এই নীরবতার সময় তাঁকে আর্থিক ও পেশাগত ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী। তাঁর ভাষ্য, সিনেমাটিকে ঘিরে সময়সূচি ও পেশাগত প্রতিশ্রুতি সামলাতে গিয়ে হলিউডসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ হারিয়েছেন তিনি। চুক্তিগত গোপনীয়তার কারণে সেসব প্রকল্পের বিস্তারিত প্রকাশ করতে পারবেন না বলেও জানান অধরা।
অধরা আরও দাবি করেন, শুটিং শুরুর মাত্র এক দিন আগে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। এ অভিজ্ঞতার কারণে কাস্টিং ডিরেক্টর ও এজেন্সির কাছ থেকেও সতর্কবার্তা পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের পোস্টে অধরা লেখেন, “বাংলা সিনেমার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকেই ‘ভায়োলেন্স’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। কিন্তু এই অভিজ্ঞতা আমার জন্য একটি বড় শিক্ষা হয়ে থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, যথাযথ পেশাদারিত্ব, যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্মানের বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে বিবেচনা না করে প্রকল্পটিতে যুক্ত হওয়াকে নিজের ক্যারিয়ারের একটি বড় ভুল হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, কিছু অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে আরও সচেতনভাবে এগিয়ে যেতে শেখায়।
একজন শিল্পী হিসেবে নিজের সময়, শ্রম ও আত্মসম্মানের মূল্য দেওয়াও দায়িত্বের অংশ বলে মনে করেন অধরা। একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্যকে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ব্যাখ্যা হিসেবে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন