সোমবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করেও অনেক তরুণকে ১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতে হয়। ফলে শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবি অনেকের কাছে আকাশকুসুম কল্পনা মনে হতে পারে।
তবে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলনে দেশের শিক্ষিত, সচেতন ও পেশাজীবী মানুষের জোরালো সমর্থন দেওয়া উচিত বলে মনে করেন এনসিপির এই নেতা।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকের বেতন বাড়া মানে শুধু একজন শ্রমিকের আয় বৃদ্ধি নয়; এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে পুরো অর্থনীতিতে। শ্রমিকের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লে বাজারে পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হয়।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘শ্রমিকের অর্থনৈতিক উন্নতি মানেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি। আর দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি মানেই আপনার-আমার জীবনমানের উন্নতি। শ্রমিকের ন্যায্য মজুরির লড়াই শুধু শ্রমিকের একার লড়াই নয়, এটি একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ অর্থনীতি গড়ার লড়াই।’
মন্তব্য করুন