বিগ ব্যাশে অভিষেক আসরেই নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছিলেন রিশাদ। গত মৌসুমে ১২ ম্যাচে ২০.৮৬ গড়ে ১৫ উইকেট শিকার করেন তিনি। তাঁর ইকোনমি রেট ছিল ওভারপ্রতি ৭.৮২ রান। সেরা বোলিং ফিগার ছিল ২৬ রানে ৩ উইকেট। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ মৌসুম শেষে হোবার্ট হারিকেনসের বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন বাংলাদেশের এই লেগ স্পিনার।
রিশাদকে আবারও দলে পেয়ে সন্তুষ্ট হোবার্ট হারিকেনসের উচ্চ কর্মদক্ষতা বিভাগের মহাব্যবস্থাপক স্যালিয়ান বিমস। তিনি জানান, হোবার্টে ফেরার ব্যাপারে রিশাদের আগ্রহ চুক্তি চূড়ান্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বিমস বলেন, গত মৌসুমে হোবার্টে রিশাদের সময়টা ভালো কেটেছিল। তিনি আবারও দলে ফিরতে চান বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন, যা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
অ্যাডাম জাম্পাকে দলে নেওয়ার পর দল গঠনের পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন এলেও রিশাদের মতো মানসম্পন্ন খেলোয়াড়কে ফেরানোর সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি তাঁরা। বিমসের মতে, অভিষেক মৌসুমেই সব ম্যাচে খেলা এবং দলের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হওয়া রিশাদের সামর্থ্য ও অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার প্রমাণ।
দলের স্পিন আক্রমণ নিয়ে বিমস বলেন, রিশাদ ও জাম্পার বোলিংয়ের ধরন এবং শক্তির জায়গা আলাদা। ফলে মাঠের পরিস্থিতি ও প্রতিপক্ষ বিবেচনায় রেখে দলটি বিভিন্ন কৌশল কাজে লাগাতে পারবে। অভিজ্ঞ জাম্পার সঙ্গে রিশাদের উপস্থিতি হোবার্টের বোলিং আক্রমণকে আরও বৈচিত্র্যময় করবে বলেও আশা করছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
হোবার্টের সঙ্গে রিশাদের সম্পর্ক অবশ্য আগের। চতুর্দশ আসরের খেলোয়াড় বাছাইয়ে তাঁকে দলে নিয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার ব্যস্ততায় সেবার মাঠে নামা হয়নি তাঁর। গত মৌসুমে বিগ ব্যাশে অভিষেকের পর নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করেন এই বাংলাদেশি স্পিনার।
বিগ ব্যাশের ষোড়শ আসরে হোবার্ট হারিকেনসের স্কোয়াডে রিশাদ ও জাম্পার সঙ্গে রয়েছেন মার্কাস বিন, আইন কার্লাইল, নিখিল চৌধুরী, টিম ডেভিড, নাথান এলিস, নিক হবসন, শাই হোপ, বেন ম্যাকডারমট, রাইলি মেরেডিথ, মিচ ওয়েন, উইল প্রেস্টউইজ, বিলি স্ট্যানলেক, টিম ওয়ার্ড, জেক ওয়েদারাল্ড ও বিউ ওয়েবস্টার।
মন্তব্য করুন