বুধবার সকালে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ কর্মকর্তা কাওসার মাহমুদ এ তথ্য জানান।
বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের পাঁচটি এবং রিয়াদ এয়ারের সাতটি ফ্লাইট রয়েছে।
অন্যদিকে, বাতিল হওয়া ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১১টি, কাতার এয়ারওয়েজের ছয়টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ছয়টি, সালামএয়ারের চারটি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।
সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাতিল হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের। আর ট্রানজিট ফ্লাইটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি বাতিল হয়েছে ইন্ডিগোর।
ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানো, সংযোগ ফ্লাইট ধরা এবং পরবর্তী ভ্রমণ পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে সীমিত কার্যক্রমের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে ফ্লাইট পরিচালনার সূচিতেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছে বেবিচক।
মন্তব্য করুন