এছাড়া ইরানের তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’—অর্থাৎ গোপনে তেল পরিবহনে জড়িত প্রায় ৪০টি জাহাজ ও শিপিং কোম্পানিকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রেজারির অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা ইরানের তেল বাণিজ্যে কিছুটা চাপ তৈরি করলেও চীন এখনো দেশটির সবচেয়ে বড় ক্রেতা। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, ইরানের মোট তেল রপ্তানির বড় অংশই চীনের বাজারে যাচ্ছে।মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদ জব্দ করা হয় এবং তাদের সঙ্গে আমেরিকানদের ব্যবসা নিষিদ্ধ করা হয়। এর প্রভাবে কিছু বড় চীনা রিফাইনারি ইরানি তেল আমদানি কমাতে পারে, তবে ছোট স্বাধীন রিফাইনারিগুলো তুলনামূলক কম প্রভাবিত হতে পারে।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীনা ব্যাংকগুলোর ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে ইরানের তেল বাণিজ্যে আরও বড় প্রভাব পড়তে পারে, কারণ এসব ব্যাংকই লেনদেনের মূল মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
এএন
|
২০ জুন, ২০২৬