বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার লক্ষণ দেখা যাওয়ায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা কমেছে। ফলে বাজারে তেলের দামের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে এবং মূল্য ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী রয়েছে।
মিৎসুবিশি ইউএফজে রিসার্চ অ্যান্ড কনসাল্টিংয়ের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ তোমোমিচি আকুতা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে পুনরায় তেল সরবরাহ শুরু হওয়ার কারণে অপরিশোধিত তেলের বাজারে এই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোলে তেলের দাম সংঘাত শুরুর আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরে আটকে থাকা তিনটি বৃহৎ তেলবাহী ট্যাংকার মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
এদিকে জাতিসংঘের নৌপরিবহন সংস্থা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর সেখানে আটকে থাকা প্রায় ১১ হাজার নাবিকসহ শত শত জাহাজকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ডের নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিদিন সীমিত সংখ্যক জাহাজকে প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার এ ধারা অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমতে পারে।
|
৪ অগাস্ট, ২০২৬