শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের দৃশ্য সাহসিকতার সঙ্গে ক্যামেরাবন্দী করে প্রকাশ করেছিলেন তাহসিফ। তার ধারণ করা ভিডিও না থাকলে শেখ হাসিনা কীভাবে দেশ ছেড়েছিলেন, তা অজানা ও রহস্যঘেরা থেকে যেত।
তিনি আরও বলেন, ওই ভিডিও প্রকাশের জেরে কোনো ষড়যন্ত্রমূলক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাহসিফ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কি না, নাকি এর পেছনে প্রেমঘটিত কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দাবি, তাহসিফকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে তুরাগ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। মৃত্যুর আগের রাতে তিনি এ মামলার দুই আসামি জেরিকা তাসনিম দিশা ও দ্বীপের সঙ্গে ছিলেন। ওই রাতে দিশাকে নিয়ে ‘নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ এবং ‘সিপি ফাইভ স্টার’ রেস্তোরাঁয়ও গিয়েছিলেন তাহসিফ।
ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে দিশা ও দ্বীপকে গ্রেপ্তার করে প্রথম দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। তবে আসামি এখনো অনেক তথ্য গোপন করছেন। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে দিশাকে আরও সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন