বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, মোটরযান বিক্রির পর অনেক ক্ষেত্রে নতুন ক্রেতারা মালিকানা পরিবর্তনের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই যানবাহন অবাধে ব্যবহার করছেন।
এর ফলে যানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর, সারচার্জ এবং অন্যান্য সব ধরনের আর্থিক দায়ভার আগের মালিক বা বিক্রেতার নামেই থেকে যাচ্ছে।
বিআরটিএর ভাষ্য অনুযায়ী, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুসারে মোটরযান বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন করা আইনিভাবে বাধ্যতামূলক।
কিন্তু এই নিয়ম ঠিকঠাক অনুসরণ না করায় যানবাহনের অগ্রিম আয়কর, বিশেষ ক্ষেত্রে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জের বড় দায়ভার বিক্রেতার ওপর বর্তাচ্ছে।
বর্তমান সময়ে এ সমস্যা সমাধানে এবং নাগরিকদের সুবিধার্থে মালিকানা পরিবর্তন প্রক্রিয়া অনেক সহজ করেছে বিআরটিএ।
সংস্থাটি জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের জন্য প্রথমে বিআরটিএ’র নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টালে আবেদন দাখিল করতে হবে।
আবেদনের পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে বিশেষ হ্যান্ড-হেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করা হয় এবং একই দিনে মালিকানা পরিবর্তন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।
একই দিনে ক্রেতাও বা নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য তাঁর নিজস্ব বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ প্রদান করতে পারছেন।
আইন অনুযায়ী সঠিক সময়ে মালিকানা পরিবর্তন করা না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
|
৪ অগাস্ট, ২০২৬