ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার সকাল থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয় এবং কয়েকদিন ধরে তা চলবে।
এদিকে খামেনির দাফন অনুষ্ঠান নিয়ে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, “খামেনির দাফন অনুষ্ঠানের জন্য তেহরানকে এক সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে। আমরা ভালো মানুষ বলেই এই সময় দিয়েছি।”
মাউন্ট রাশমোরে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা ও বৈশ্বিক প্রভাব নিয়ে বক্তব্য দেন। একই সঙ্গে ইরান প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, “তারা এখন সমঝোতা করতে মরিয়া। আমরা ইরানকে এমন অবস্থায় নিয়ে এসেছি যে তারা আলোচনায় ফিরতে চায়।”
এর আগে শুক্রবার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রদর্শন করা হয়। বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রতিনিধি ও নেতারা সেখানে শ্রদ্ধা জানান।
শনিবার ও রবিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির কফিন রাখা হবে। সেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হয়েছেন। অনেকের হাতে ছিল প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত লাল পতাকা।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তেহরানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে খামেনির মরদেহ পর্যায়ক্রমে কোম, ইরাকের নাজাফ ও কারবালা হয়ে ইরানের মাশহাদে নেওয়া হবে। সেখানে ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে।
সূত্র: আল-জাজিরা।
মন্তব্য করুন