আগামী বিশ্ব ইজতেমার তারিখ দ্রুত ঘোষণা, টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তাবলিগের দুই পক্ষকে সমান সুযোগ দেওয়া এবং কাকরাইল মসজিদ বুঝিয়ে দেওয়াসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের সাদপন্থি অনুসারীরা।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শফিক বিন নাঈম।
সাদপন্থিদের দাবি, টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানের মালিকানা সরকারের। তাই কোনো পক্ষের একক নিয়ন্ত্রণ না রেখে উভয় পক্ষকে সমানভাবে ময়দান ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে। লাখ লাখ দেশি মুসল্লি ও বিদেশি অতিথির অংশগ্রহণের কারণে টঙ্গীর বাইরে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন বাস্তবসম্মত নয় বলেও তারা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে সংঘটিত সংঘাতের ঘটনাগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে এসব ঘটনায় সাদপন্থিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।
সাদপন্থিরা দাবি করেন, টঙ্গী ময়দানে ভবিষ্যতে ইজতেমা না করার বিষয়ে তারা কোনো মুচলেকা দেয়নি। প্রশাসনের কাছে ময়দানের মালামাল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের পক্ষ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মুচলেকা দেওয়ার দাবিও তারা প্রত্যাখ্যান করেন।
মাওলানা সাদকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগও ভিত্তিহীন দাবি করে তাকে বাংলাদেশে এনে আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
কাকরাইল মসজিদ প্রসঙ্গে তারা বলেন, ‘তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ’-এর নামে মসজিদটি স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। তাই সেটি তাদের বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দেশের সব মসজিদে তাবলিগের দাওয়াত ও কার্যক্রমে কোনো পক্ষকে বাধা না দেওয়ার জন্য সরকারি নির্দেশনারও দাবি করেন তারা।
তাবলিগের দুই পক্ষের বিরোধ নিরসনে উভয় পক্ষকে টঙ্গী ময়দানে নিজ নিজ ইজতেমা করার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। সাদপন্থিদের দাবি, গত পাঁচ বছর তারা দ্বিতীয় ধাপে ইজতেমা করেছে; এবার তাদের প্রথম ধাপে ইজতেমা করার সুযোগ দেওয়া উচিত।
সাদপন্থিদের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—
মন্তব্য করুন