দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা ১৫টি মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাস।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ১৫টি মামলার রায়ের বিস্তারিত এবং আদালতের পর্যবেক্ষণ জানা যায়নি।
মামলাগুলোতে বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রির মাধ্যমে ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছিল। ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মির্জা আব্বাসসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ১৫টি মামলা দায়ের করে।
মামলাগুলোর অভিযোগে বলা হয়, সরকারি বাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে পছন্দের ব্যক্তিদের কাছে সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়। এতে সরকারের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করে দুদক।
১৫টি মামলার প্রতিটিতে মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া কয়েকটি মামলায় সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলাগুলোতে থাকা সব আসামিই খালাস পেয়েছেন।
মামলাগুলোর তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে ২০০৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
দুদকের অভিযোগ ছিল, রাজধানীর গুলশান, ধানমন্ডি ও শান্তিনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় থাকা ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়ম করা হয়েছে। দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়মের মাধ্যমে কম মূল্যের প্রস্তাব গ্রহণ করে সরকারকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগও আনা হয়।
মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ মির্জা আব্বাসসহ আসামিদের খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করা হলো।
মন্তব্য করুন