জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষের সমাগম; ৭০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকার দাবি ইরানের।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা উপলক্ষে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় লাখো মানুষের সমাগম হয়েছে। রোববার জানাজার নামাজ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই প্রার্থনাস্থলের ধারণক্ষমতা পূর্ণ হয়ে গেলে নিরাপত্তার স্বার্থে সব প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, গ্র্যান্ড মোসাল্লার ভেতরে স্থান সংকুলান না হওয়ায় আশপাশের সড়ক ও খোলা জায়গায়ও উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা মানুষ শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে এবং জানাজার নামাজে অংশ নিতে সেখানে জড়ো হন।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পাশাপাশি তার পরিবারের আরও চার সদস্যের জানাজাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই ঘটনায় নিহত আরও কয়েকজনের মরদেহও গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হয়েছে।
জানাজার নামাজে ইমামতি করছেন আয়াতুল্লাহ শেখ জাফর সোবহানি। খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের জন্য পৃথকভাবে তিন দফায় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে ইরানের বিভিন্ন শহরে তাকে স্মরণ করে শোকসভা ও শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি পালিত হয়। তেহরানের এই জানাজাকে জাতীয় শোকানুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় পর্ব হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ৭০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, বিশেষ করে আরব দেশগুলোর প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ইরানের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ এবং এই অনুষ্ঠান পারস্পরিক সম্পর্কের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তেহরানের গ্র্যান্ড প্রেয়ার গ্রাউন্ডে শুরু হওয়া এক সপ্তাহব্যাপী শেষকৃত্য কর্মসূচিতে লাখো মানুষের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী, পার্লামেন্টের স্পিকার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিশেষ দূতদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচি ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে।
পরামর্শ: যদি এটি বাস্তব সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করতে চান, তাহলে আগে নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করুন। বর্তমানে প্রকাশ্যভাবে প্রতিষ্ঠিত তথ্য অনুযায়ী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত নয়।
মন্তব্য করুন