আহত সাংবাদিক মহিউদ্দিন আল আজাদ। তিনি হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ নিউজ ও বাংলাদেশ খবর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এবং সাপ্তাহিক ত্রিনদী পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে সাংবাদিককে উদ্ধার করে। এ সময় অভিযুক্ত ফারুক হোসেন লিটন ও তার ছেলে তাওহীদ হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এছাড়া ঘটনার সময় সাংবাদিককে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা দ্রুত ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতারা ও সচেতন মহল তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে আহত সাংবাদিক প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় তিনি ফারুক হোসেন লিটন, তার ছেলে তাওহীদ হোসেন, বাবা আনোয়ার হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করে হাজীগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মান্নান জানান, এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে হামলাকারীদের শনাক্তের কাজ চলছে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে আবাসিক হোটেল পরিচালনার অভিযোগে মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলটি সিলগালা করে দেন।
মন্তব্য করুন