ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ডিএমসি) কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনন্দঘন ও আবেগময় সময় কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
শনিবার সকালে ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’-এর উদ্বোধন শেষে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তারা পরিদর্শনে যান কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলে—যেখানে ঢাকা মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নকালে আবাসিক ছাত্রী হিসেবে ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে হোস্টেলের সামনে আগে থেকেই জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন তারা।
স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আগে যখন জুবাইদাকে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম, তখন তাকে গাড়ির সামনের সিটে আমার পাশে বসিয়ে আনতাম। আজও এখানে আসার সময় তাকে বলেছি সামনেই বসতে। সেই স্মৃতি নিয়েই আবার আপনাদের মাঝে এসেছি।”
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরা নিজেদের যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠিত হও, দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেদের নিবেদিত রাখো—এই কামনাই করি।”
এ সময় নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতি মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, “এই ক্যাম্পাসে আমার জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময় কেটেছে। আজ এখানে ফিরে এসে সেই অসংখ্য স্মৃতি মনে পড়ছে।”
বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “জীবনে নানা চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতা আসবে। কিন্তু অতীতের ক্ষোভ বা হতাশাকে আঁকড়ে না ধরে সবসময় সামনে এগিয়ে যেতে হবে। নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে অধ্যবসায়ের বিকল্প নেই।”
তিনি আরও বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে বিশ্বের মানুষ এখানকার চিকিৎসা ও শিক্ষার মান সম্পর্কে গর্বের সঙ্গে কথা বলে।”
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে স্মরণীয় মুহূর্ত ধরে রাখতে সেলফিতে অংশ নেন শিক্ষার্থীরা। পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ।
মন্তব্য করুন