মায়ামি গার্ডেন্সের হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমার্ধ থেকেই রক্ষণাত্মক কৌশলের পাশাপাশি কাউন্টার অ্যাটাককে পুঁজি করে মাঠে নামে সৌদি আরব। উরুগুয়ের তারকা-সমৃদ্ধ আক্রমণভাগকে চাপে রেখে নিজেদের পরিকল্পনায় সফল ছিল তারা।
ম্যাচের ৪১ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কর্নার কিক থেকে আসা বলে হাসান আল তামবাকতির জোরালো হেড উরুগুয়ের গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরার হাত ফসকে বেরিয়ে যায়। সুযোগের অপেক্ষায় থাকা আবদুলেলাহ আল-আমরি নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে সৌদি আরবকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এই গোলে স্তব্ধ হয়ে পড়ে উরুগুয়ের ডাগআউট ও গ্যালারির সমর্থকরা।
দ্বিতীয়ার্ধে পিছিয়ে থেকে মাঠ নেমে উরুগুয়ে আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দেয়। সৌদি রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় এবং ফিনিশিংয়ের অভাবে বারবার গোলবঞ্চিত হচ্ছিলেন লুই সুয়ারেস-দারউইন নুনেজরা। তবে ম্যাচের ৮০ মিনিটে আসে স্বস্তির গোল। আক্রমণভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বল পেয়ে যান মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো। তার দুর্দান্ত শট সৌদি রক্ষণব্যূহ ভেঙে জালে জড়ালে ১-১ সমতায় ফেরে উরুগুয়ে।
ম্যাচের শেষ দিকে উরুগুয়ে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও সৌদি আরব শক্ত হাতে সেই আক্রমণ প্রতিহত করে। শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।
উল্লেখ্য, ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দেওয়া সৌদি আরব আবারও প্রমাণ করল, বিশ্বমঞ্চে তারা যেকোনো বড় দলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে সক্ষম।
|
২০ জুন, ২০২৬