জেলা প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি নজির আহমদ তালুকদার বলেন, ‘সমতলের শিক্ষকরা অনলাইন হাজিরা সহজে দিতে পারলেও পাহাড়ি এলাকায় এটি অনেক কঠিন। রাঙামাটি জেলার অনেক জায়গায় এখনো মোবাইল নেটওয়ার্কের পাশাপাশি বিদ্যুৎও পৌঁছায়নি।’
তিনি আরো বলেন, ‘এমনকি জেলা সদরের অনেক এলাকায়ও ঠিকমতো নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না।’ তাই পাহাড়ি এলাকার বিষয়টি বিশেষ বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
রাঙামাটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ৭০৮টি স্কুলের মধ্যে প্রথম দিন (সোমবার) ৫৩৮টি স্কুলের শিক্ষক হাজিরার তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি ১৭০টি স্কুল মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকায় তাদের হাজিরা পাওয়া যায়নি।
রাঙামাটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও) কফিল উদ্দিন বলেন, আপাতত নির্দেশনা অনুযায়ী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যেসব এলাকা নেটওয়ার্কের আওতায় আছে, সেখান থেকে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। যেগুলো এসএমএসে সম্ভব, সেগুলো সংগ্রহ করা হচ্ছে। বাকি এলাকাগুলোর তালিকা ঢাকায় পাঠানো হবে এবং পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন