এনডিটিভি জানায়, ইতালির একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, মেলোনির সঙ্গে তার কথা বলার দরকার ছিল না। তবে মেলোনি তার সঙ্গে কথা বলতে পেরে ‘সম্ভবত খুশি’ হয়েছেন।
ইতালির লা৭ টিভি চ্যানেলকে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যোগ করেন, ‘তিনি (মেলোনি) সম্ভবত খুশি যে আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। আমারতাঁর সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন ছিল না। তিনি আমার সঙ্গে একটি ছবি তোলার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। তিনি আমার সঙ্গে ছবি তুলতে খুবই আগ্রহী ছিলেন। আমি ছবি তুলতাম না, কিন্তু তার জন্য আমার খারাপ লেগেছিল।’
তবে ট্রাম্পের এসব মন্তব্য উড়িয়ে দিয়ে মেলোনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্যে তিনি ‘বিস্মিত’ হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে ইতালির প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিত্রদের সম্পর্কে ট্রাম্পের অবমাননাকর মন্তব্য করার ঘটনা এটাই প্রথম নয়।
তিনি লিখেছেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য সম্পূর্ণ মনগড়া। সত্যি বলতে আমি বিস্মিত ও হতাশ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কেন তার মিত্রদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন, তা আমি জানি না; তবে এটিই প্রথম ঘটনা নয়।’
মেলোনি আরও বলেন, ‘আমি শুধু বলতে পারি, এটি দুঃখজনক যে তিনি পশ্চিমা বিশ্বের শত্রুদের কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষদের ক্ষেত্রে একই দৃঢ়তা দেখান না। বরং তাদের প্রতি অনেক বেশি নমনীয় আচরণ করেন তিনি। তবে একটি বিষয় তার মনে রাখা উচিত—আমি এবং ইতালি কখনো কারও কাছে অনুরোধ বা ভিক্ষা করি না।’
ট্রাম্পের মন্তব্যের জেরে নির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি। এক্সে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, মেলোনিকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্পের অপমানজনক মন্তব্য পুরো ইতালিকে অপমান করেছে। তাজানি লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গুরুতর ও অপমানজনক বক্তব্য… সমগ্র ইতালিকে অপমান করেছে।’
|
২০ জুন, ২০২৬