পাশাপাশি যাত্রা শুরুর আগে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর অনুমোদন গ্রহণের বিষয়টিকে বাধ্যতামূলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরান সতর্ক করে বলেছে, নির্ধারিত নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট জাহাজের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের পরিণতি ‘গুরুতর ও অনাকাঙ্ক্ষিত’ হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি এলাকায় মোতায়েন থাকা বিদেশি সামরিক বাহিনীর প্রতিও কড়া বার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, প্রণালির ব্যবস্থাপনা কিংবা সামুদ্রিক চলাচলে বাইরের কোনো শক্তির হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। এমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তার ‘যথাযথ ও দৃঢ় জবাব’ দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে দেশটি।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়। ফলে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যেকোনো উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র : আল জাজিরা
|
২০ জুন, ২০২৬