বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৫৩ ডলার বা ১ দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৭৯ দশমিক ০৪ ডলারে নেমে আসে।
যদিও দিনের শুরুতে দাম বেড়ে ৮২ দশমিক ৩০ ডলারে উঠেছিল। এর কারণ ছিল ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের জুলাই চুক্তির দাম ব্যারেলপ্রতি ৭ সেন্ট কমে ৭৬ দশমিক ৫৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগস্ট চুক্তির দাম কমে হয়েছে ৭৫ দশমিক ৩০ ডলার।
যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ছুটির কারণে শুক্রবার বাজারে কোনো নিষ্পত্তি হয়নি। সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে মধ্যস্থতাকারীরা জানান, উচ্চপর্যায়ের মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে এপ্রিল থেকে কার্যকর থাকা নাজুক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও অন্তত ৬০ দিন বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই আলোচনা শুরু হয়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পাশাপাশি কিছু জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করা এবং দেশের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোরের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে। উভয় পক্ষ একটি উচ্চপর্যায়ের যৌথ কমিটি গঠনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর চলমান উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, আলোচনার ইতিবাচক অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে এবং তেলের দামের ওপর চাপ আরও কমতে পারে।
|
২২ জুন, ২০২৬